যোগাযোগ :

ঢাকা থেকে প্রকাশিত, সরকারি মিডিয়া তালিকা ভুক্ত, জাতীয়  দৈনিক যুগযুগান্তর পত্রিকায় ও যে যে টিভি... জেলা উপজেলা, বিশেষ প্রতিনিধি, ক্রাইম রিপোর্টার, বিভাগীয় প্রধান, ক্যাম্পাস প্রতিনিধি, বিজ্ঞাপন প্রতিনিধি নেওয়া হচ্ছে..। আগ্রহীদের সিভি পাসপোর্ট সাইজের ছবি এন আইডি কার্ড এর কপি এবং শিক্ষাগত যোগ্যতার সার্টিফিকেট মেইল অথবা হোয়াটসঅ্যাপে পাঠানোর অনুরোধ করা হলো। প্রধান কার্যালয়: ২৮, দিলকুশা বানিজ্যিক এলাকা (১৯ তম তলা), সুইট # ১৯০৩, মতিঝিল, ঢাকা - ১০০০। মোবা: 01978268378, হোয়াটসঅ্যাপ: 01612268378, ইমেইল: nskibria2012@gmail.com, শাখা অফিস : ১৮৭/২ আরামবাগ, ঢাকা। প্রধান কার্যালয়: ২৮, দিলকুশা বানিজ্যিক এলাকা (১৯ তম তলা), সুইট # ১৯০৩, মতিঝিল, ঢাকা - ১০০০। মোবা: 01978268378, হোয়াটসঅ্যাপ: 01612268378 ইমেইল: nskibria2012@gmail.com, শাখা অফিস : ১৮৭/২ আরামবাগ, ঢাকা।

ফরিদপুরে এক ঘরে শিশুর গলাকাটা মরদেহ, আরেক ঘরে ঝুলছিল অন্তঃসত্ত্বা মা

ফরিদপুরে এক ঘরে শিশুর গলাকাটা মরদেহ, আরেক ঘরে ঝুলছিল অন্তঃসত্ত্বা মা

ফরিদপুর প্রতিনিধি:
ফরিদপুরের সদরপুর উপজেলায় ঘটেছে হৃদয়বিদারক এক ঘটনা। নিজ ঘর থেকে পাঁচ বছর বয়সী শিশুর গলাকাটা মরদেহ এবং পাশের ঘর থেকে তার অন্তঃসত্ত্বা মায়ের ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এই ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
শুক্রবার (১৯ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে সদরপুর উপজেলার কৃষ্ণপুর ইউনিয়নের পূর্বকান্দি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহতরা হলেন সুমাইয়া আক্তার (২২) এবং তার ছেলে হুজাইফা (৫)।
পারিবারিক সূত্র জানায়, সুমাইয়া অন্তঃসত্ত্বা ছিলেন এবং আগামী ২৬ সেপ্টেম্বর তার সিজারিয়ান ডেলিভারির তারিখ নির্ধারিত ছিল। তিনি ফরিদপুর সদরের কৈজুরী গ্রামের রমজান খানের মেয়ে। ২০২০ সালে সুমাইয়ার বিয়ে হয় পূর্বকান্দি গ্রামের মোতালেব মুন্সির ছেলে রমজান মুন্সির সঙ্গে।
স্থানীয়রা জানান, রমজান কয়েক বছর সিঙ্গাপুরে প্রবাসে ছিলেন। দেশে ফেরার পর আবার বিদেশ যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। তবে দাম্পত্য জীবনে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে কলহের খবর প্রতিবেশীরা শুনেছেন।
নিহতের শ্বশুর মোতালেব মুন্সি দাবি করেন, ছেলে ও পুত্রবধূর মধ্যে সম্পর্ক ভালোই ছিল। তবে প্রতিবেশীরা জানান, স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে প্রায়ই ঝগড়া হতো।
খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে। অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ভাঙ্গা সার্কেল) আসিফ ইকবাল বলেন, “শিশুটিকে গলাকাটা অবস্থায় কম্বল প্যাঁচানো মৃত অবস্থায় পাওয়া যায় এবং মাকে ঝুলন্ত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়।”
সদরপুর থানার ওসি সুকদেব রায় জানান, “ঘটনার প্রকৃত কারণ উদঘাটনে তদন্ত চলছে। ময়নাতদন্ত শেষে বিস্তারিত জানা যাবে।”
এই ঘটনায় এলাকায় শোক ও আতঙ্ক নেমে এসেছে। একসঙ্গে মা ও শিশুর মৃত্যুতে পরিবার, স্বজন এবং প্রতিবেশীরা ভেঙে পড়েছেন। কী কারণে এমন মর্মান্তিক ঘটনা ঘটল তা নিয়ে নানা প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে স্থানীয়দের মনে।

খবরটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© All rights reserved © 2017 jujugantor.com
Theme Customized BY SpacialNews.Com